1. alauddin.reporter24@gmail.com : Alauddin Sikder : Alauddin Sikder
  2. ukhiyasomoy@gmail.com : Ukhiyasomoy : Monibul Alam Rahat
  3. monibulalamrahat@gmail.com : Riduan Sohag : Riduan Sohag
  4. sanaullahalhady05@gmail.com : shohan pervez : shohan pervez
শনিবার, ১৭ এপ্রিল ২০২১, ০৪:৪৩ অপরাহ্ন
শিরোনামঃ
ভাষা শহীদদের প্রতি এবি পার্টি উখিয়ার শ্রদ্ধা নিবেদন বান্দরবানে বিজিবির সঙ্গে ‘বন্দুকযুদ্ধে’ দুই রোহিঙ্গা নিহত এড. গোলাম ফারুক খান কায়সার এর শ্বশুরের ইন্তেকালে এবি পার্টি উখিয়া উপজেলার শোক ইসলামী আন্দোলন গণমানুষের মুক্তির লক্ষ্যে রাজনীতি করে- গাজী আতাউর রহমান উখিয়ায় এবি পার্টি কতৃক ছাত্রদের সাথে মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত মরিচ্যায় পালং ডিজিটাল মেডিকেল সেন্টারে নিয়মিত রোগী দেখছেন অভিজ্ঞ চিকিৎসকরা জমি নিয়ে বিরোধে প্রতিপক্ষের গুলিতে নিহত ১, গুরুতর আহত ২ উখিয়ায় প্রশাসনের উচ্ছেদ অভিযান: ৩৯ হাজার টাকা অর্থদণ্ড উখিয়ায় বাজার মনিটরিংয়ে ৮০কেজি নষ্ট মিষ্টি ধ্বংস! জালিয়াপালং স্পোর্টস একাডেমি’কে হারিয়ে সেমিফাইনালে ‘পালং স্পোর্টিং ক্লাব’

করোনা: এপ্রিলের দ্বিতীয় সপ্তাহ দেশের জন্য মারাত্মক সময়

  • আপডেট টাইমঃ মঙ্গলবার, ৭ এপ্রিল, ২০২০
  • ১৫৩

বিশ্ব পরিস্থিতি বিবেচনায় প্রথম শনাক্তের এক থেকে দেড়মাস পরে ভয়ঙ্কর হয়ে উঠে করোনা। সেই বিবেচনায় এপ্রিলের দ্বিতীয় সপ্তাহে এ দেশের জন্য মারাত্মক সময় বলছেন বিশেষজ্ঞরা। সেক্ষেত্রে এলাকাভিত্তিক নয় দরকার দেশজুড়ে লকডাউন। তবে নিজেদের সীমাবদ্ধতা মাথায় রেখে পরিকল্পনা সাজালে করোনা মোকাবিলা সহজ হবে বলে মত তাদের।

বিশ্বজুড়ে মহামারী তোলা করোনা বাংলাদেশে বলতে গেলে অনেকটা সহনীয় পর্যায়েই ছিলো। তবে শনাক্তের মাসখানেক পর এদেশেও স্বরূপে দেখা দিচ্ছে কোভিড-১৯। গত তিনমাসে বিশ্বব্যাপী করোনার প্রভাব পর্যবেক্ষণ করলে দেখা যায়- প্রথম শনাক্ত হওয়ার পর রোগীর সংখ্যা বেড়েছে গাণিতিক হারে। তখনই সীমিত আকারে দেখা দেয় কমিউনিটি ট্রান্সমিশন। এর পরের ধাপে আক্রান্তের সংখ্যা ছড়াতে থাকে জ্যামিতিক হারে। এই পর্যায়ে শুরু হয় গণসংক্রমণ। এক থেকে দেড় মাসে আক্রান্তের সংখ্যা বেড়ে একপর্যায়ে ছোঁয় চূড়ান্ত সীমা। এরপর ধীরে ধীরে কমতে থাকে সংখ্যা। তবে সেই সর্বোচ্চচূঁড়া কোথায় হবে তা নির্ভর করে সেই দেশের সার্বিক প্রস্তুতির ওপর।
সেই হিসেবে এপ্রিলের দ্বিতীয় সপ্তাহ এ দেশের জন্য সবচেয়ে কঠিন সময় হতে পারে বলে মনে করেন বিশেষজ্ঞরা।

স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের রোগ নিয়ন্ত্রণ বিভাগে সাবেক পরিচালক অধ্যাপক বে নজির আহমেদ বলেন, এপ্রিলের মাঝামাঝি বা শেষেও হতে পারে। এটা সবশেষে এক রকমভাবে হচ্ছে না। এখন যেভাবে বাড়তেছে সেটা জ্যামিতি হারে বাড়তেছে।
মেডিসিন বিশেষজ্ঞ অধ্যাপক রিদওয়ানুর রহমান বলেন, আগে টেস্ট কম হচ্ছিলো বলে কম পড়েছিলো। কিন্তু এখন টেস্ট বেশি হচ্ছে ধরাও বেশি পড়তেছে।

তারা বলছেন, সাধারণ ছুটি ঘোষণায় অনেকটা সুফল মিলবে, তবে প্রতিদিনের টেস্টের রিপোর্ট দেখে ঠিক করতে হবে পরিকল্পনা। সুপরিকল্পিত পরিকল্পনা প্রনয়ন করতে পারলে দেশের বাস্তবতায় বর্তমান সামর্থ্যের মধ্যেই করোনার লাগাম নিয়ন্ত্রণে রাখা সম্ভব হবে বলে মত তাদের।
অধ্যাপক বে নজির আহমেদ আরও বলেন, ব্যবস্থাপনার জায়গা অনেক বেশি গুরুত্বপূর্ণ দিতে। আমার কত টাকা পয়সা ও জিনিসপত্র রয়েছে সেটা দেখার বিষয় নয়। ববং আমার যা আছে, সেটা কীভাবে সঠিকভাবে ব্যবহার করা যায় সেটা দেখতে হবে।
অধ্যাপক রিদওয়ানুর রহমান বলেন, আমাদের ক্লাস্টার করে হবে না। পুরো দেশ লকডাউন করতে হবে।
প্রয়োজনে চলমান ছুটি আরো বাড়ানোর পরামর্শ বিশেষজ্ঞদের।

© সময় নিউজ টিভি



নিউজটি শেয়ার করুন...

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এ জাতীয় আরো খবর...





নামাজের সময় সূচি

  • ফজর
  • যোহর
  • আছর
  • মাগরিব
  • এশা
  • সূর্যোদয়
  • ভোর ৪:২০
  • দুপুর ১২:০০
  • বিকাল ১৬:২৮
  • সন্ধ্যা ১৮:২২
  • রাত ১৯:৩৮
  • ভোর ৫:৩৫
Ukhiyasomoy©Copyright All Rights Reserved 2019
Developed By Theme Bazar