1. alauddin.reporter24@gmail.com : Alauddin Sikder : Alauddin Sikder
  2. ukhiyasomoy@gmail.com : Ukhiyasomoy : Monibul Alam Rahat
  3. monibulalamrahat@gmail.com : Riduan Sohag : Riduan Sohag
রবিবার, ১১ এপ্রিল ২০২১, ০৭:৩৪ অপরাহ্ন
শিরোনামঃ
ভাষা শহীদদের প্রতি এবি পার্টি উখিয়ার শ্রদ্ধা নিবেদন বান্দরবানে বিজিবির সঙ্গে ‘বন্দুকযুদ্ধে’ দুই রোহিঙ্গা নিহত এড. গোলাম ফারুক খান কায়সার এর শ্বশুরের ইন্তেকালে এবি পার্টি উখিয়া উপজেলার শোক ইসলামী আন্দোলন গণমানুষের মুক্তির লক্ষ্যে রাজনীতি করে- গাজী আতাউর রহমান উখিয়ায় এবি পার্টি কতৃক ছাত্রদের সাথে মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত মরিচ্যায় পালং ডিজিটাল মেডিকেল সেন্টারে নিয়মিত রোগী দেখছেন অভিজ্ঞ চিকিৎসকরা জমি নিয়ে বিরোধে প্রতিপক্ষের গুলিতে নিহত ১, গুরুতর আহত ২ উখিয়ায় প্রশাসনের উচ্ছেদ অভিযান: ৩৯ হাজার টাকা অর্থদণ্ড উখিয়ায় বাজার মনিটরিংয়ে ৮০কেজি নষ্ট মিষ্টি ধ্বংস! জালিয়াপালং স্পোর্টস একাডেমি’কে হারিয়ে সেমিফাইনালে ‘পালং স্পোর্টিং ক্লাব’

করোনা যুদ্ধে জিততে হলে একা থাকুন: আইয়ুব আলী

  • আপডেট টাইমঃ শুক্রবার, ১৭ এপ্রিল, ২০২০
  • ৫১৫

✍মুহাম্মদ আইয়ুব আলী

বিপদে বন্ধুর পরিচয়
যে বিপদে পড়ে নাই সে বন্ধু চিনবে কি করে।
তার জন্য মহা সুযোগ সৃষ্টি করেছে করোনা। আপনার বন্ধুরা এখন কোথায়? আপনার জানাজা হচ্ছে,যে কয়জন নিরাপদ দুরত্বে দাঁড়িয়ে আছে তাদেরকে আপনি কোনদিনই আশা করেন নি। আপনার ছেলে ছিলনা বলে মেয়ে বিয়ে দিয়েছেন মস্তবড় আলেমের সাথে যাতে জানাজাটা পড়ায়,আপনার অছিয়ত ও ছিল সেরকম কিন্তু জানাজায় ইমামতি করলেন একজন এসিল্যান্ড বা একজন পুলিশ অফিসার নতুবা কোন ভিনদেশী আলেম। ভোটের সময় যে নেতার জন্য দ্বারে দ্বারে ভোট ভিক্ষা করেছেন, তার নেতৃত্বে আন্দোলন হচ্ছে আপনাকে যাতে আপনার পৈত্রিক কবরস্থানে কবর দেয়া না হয়। আপনি উপজেলার বড় রাজনৈতিক নেতা ছিলেন, আপনার জন্মদিনে আপনার রাজনৈতিক সহকর্মী, ছাত্র সংঘঠন,যুব সংঘঠনের নেতারা ফেইসবুক ফাটিয়ে দিয়েছিল।তারা আপনার জানাজা পড়ে নাইতো দুরের কথা, আপনি অসুস্থ হওয়ার পর তারা আপনার রোগমুক্তির জন্য একটা স্ট্যাটাস ও দেয়নি। এতসব খেজুরে আলাপ বাদ দিলাম।

এবার একটু নিমপাতা আলাপ করি। ভাই বড় ধন রক্তের বাঁধন, পানি কাটলে দুইভাগ হয় ভাইবোনের সম্পর্ক কাটলে দুইভাগ হয়না। পিতামাতার সাথে সন্তানের মধুর সম্পর্ক।শুধু মাত্র পটিয়ায় পিতার কোলে সন্তানের লাশটা ছাড়া সব সম্পর্ক নিমপাতা হয়ে গেল।চার সন্তান ও মেয়ের জামাইরা মাকে গাজীপুরের বনে রেখে গেল। দিনের পর দিন যে বউ স্বামীকে বিদেশ থেকে আনার জন্য বাহনা করত, অভিমান করত সে বউ কিনা স্বামীর দেশে আসার খবরে বাপের বাড়ি পালিয়ে গেল! এ ক্ষমতা কার করোনার নাকি বাস্তবতার। অন্য কথায় বলতে গেলে কেয়ামত দিবসে কেউ কারো নয় এটা সে দিকে ইঙ্গিত দিচ্ছে না!

একটা গল্প দিয়ে শেষ করি।গল্পটি একটি বানর ও তার বাচ্চা নিয়ে। বানরের উচ্চবুদ্ধিমত্তা সবার জানা। মানুষের পর যদি প্রাণিজগতে আর কারো নাম নিতে হয়, তাহলে বানরের নামটি আসে সবার আগে। ঘটনাটি ছিল একটি ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ডের। বানরটি ছিল বাচ্চাসমেত একটি বাড়িতে খাঁচায় বন্দী।

বাড়িতে আগুন লাগার পরপরই বানরটি টের পেয়েছিল। সে জানত, আগুন শেষ পর্যন্ত তার খাঁচাটিও পুড়িয়ে দেবে। সে নিজের বাচ্চার নিরাপত্তা নিয়ে অত্যন্ত উদ্বিগ্ন। তাকে কিভাবে বাঁচানো যায় সেটাই ছিল তার একমাত্র লক্ষ্য। বাচ্চাটিকে নিয়ে সে বিভিন্ন ধরনের কসরত করতে লাগল। একবার কোলে তুলে নেয়, একবার মাথায় নেয়। আগুন যতই কাছাকাছি আসছিল, এ নিয়ে তার উৎকণ্ঠাও বাড়ছিল। কারণ তার বাচ্চাটিকে বাঁচাতে হবে।

তার চেঁচামেচি ভাব ভাষায় এ সময় কেবল বাচ্চার নিরাপত্তার জন্য উদ্বিগ্নতা প্রকাশ পেয়েছিল। ঠিক আগুন যখন খাঁচার নিচ দিয়ে হানা দিলো, মুহূর্তের মধ্যে বাচ্চাটিকে সে মাথায় তুলে নিলো। আগুন যখন সত্যি সত্যি খাঁচার নিচের অংশটি পুড়ে ফেলছিল, তখন আগুনের কঠিন উত্তাপে তার পা-ও ঝলসে যাচ্ছিল। এ ভয়াবহ অবস্থার মধ্যে বানরটি নিজের মাথার ওপর থেকে বাচ্চাটিকে নিচে ছুড়ে ফেলে দিলো। বাচ্চাকে পায়ের নিচে দিয়ে আসন্ন উত্তাপ থেকে নিজের পা বাঁচাতে চাইল। নিজেকে রক্ষার জন্য সামান্য একটি অবলম্বন হিসেবে বাচ্চাটির শরীরকে ব্যবহার করল।

প্রথম থেকে বানরটি নিজের নিরাপত্তা নিয়ে ভাবেনি। নিজে মরে গিয়ে হলেও বাচ্চার নিরাপত্তা নিশ্চিত করার কথা ভেবেছে। প্রকৃত বাস্তবতা যখন সামনে এলো- সব ভুলে আসন্ন বিপদ মোকাবেলা করতে চাইল। সেখানে নিজের বাচ্চার প্রতি মায়া-মমতা আর মূল্য পায়নি। বাচ্চাটিকেই আসন্ন ব্যথা উপশমের জন্য ব্যবহার করেছে। পায়ের নিচে ফেলে কিছুক্ষণের জন্য হলেও স্বস্তি পেতে চেয়েছে। বানরটির ঠিক এ চেহারাটি আগে কখনো প্রকাশিত হয়নি। সঙ্কটের ভয়াবহতা তাকে এমন নিষ্ঠুর করতে বাধ্য করেছে। প্রকৃতপক্ষে এমন বিপদে পড়ে কেউ কি তার অস্তিত্বের বিনিময়ে অন্যকে কিছুটা হলেও স্বস্তি দেয়ার জন্য আত্মবলিদান করতে পারে?

মানুষের ক্ষেত্রে এর একটি সম্পর্ক কি রয়েছে? বলা হয়- বিপদে বন্ধুর পরিচয়। সঙ্কটে এলে সে তার মূল চরিত্রে স্বচেহারায় প্রকাশিত হয়। বিশেষ করে করোনার মতো ভয়াবহ বিপদ মানুষের সামনে আসায় মানুষকে নতুন করে চেনা যাচ্ছে। মানুষের মধ্যে রক্ত, আত্মীয়তা ও বন্ধুত্বের সম্পর্কগুলো এখন যাচাই হয়ে যাচ্ছে। আগুনের মতো কঠিন দহনের কষ্ট ছাড়াই মানুষ অন্যের প্রতি ভয়াবহ নিষ্ঠুরতা প্রদর্শন করছে।

এ যুদ্ধে আপনার সাথে কেউ নেই, আপনি একা বড়ই একা।তাই এ যুদ্ধে জিততে হলে আপনাকে একা থাকতে হবে।
একা থাকুন। বাড়িতে থাকুন। বাড়িতে ও একা থাকুন।।

লেখক,,,,

মুহাম্মদ আইয়ুব আলী
লেকচারার, রাষ্ট্রবিজ্ঞান
কক্সবাজার সরকারি কলেজ।



নিউজটি শেয়ার করুন...

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এ জাতীয় আরো খবর...





নামাজের সময় সূচি

  • ফজর
  • যোহর
  • আছর
  • মাগরিব
  • এশা
  • সূর্যোদয়
  • ভোর ৪:২৬
  • দুপুর ১২:০১
  • বিকাল ১৬:২৮
  • সন্ধ্যা ১৮:২০
  • রাত ১৯:৩৫
  • ভোর ৫:৩৯
Ukhiyasomoy©Copyright All Rights Reserved 2019
Developed By Theme Bazar