1. alauddin.reporter24@gmail.com : Alauddin Sikder : Alauddin Sikder
  2. ukhiyasomoy@gmail.com : Ukhiyasomoy : Monibul Alam Rahat
  3. monibulalamrahat@gmail.com : Riduan Sohag : Riduan Sohag
  4. sanaullahalhady05@gmail.com : shohan pervez : shohan pervez
শনিবার, ১৭ এপ্রিল ২০২১, ১১:১৩ অপরাহ্ন
শিরোনামঃ
ভাষা শহীদদের প্রতি এবি পার্টি উখিয়ার শ্রদ্ধা নিবেদন বান্দরবানে বিজিবির সঙ্গে ‘বন্দুকযুদ্ধে’ দুই রোহিঙ্গা নিহত এড. গোলাম ফারুক খান কায়সার এর শ্বশুরের ইন্তেকালে এবি পার্টি উখিয়া উপজেলার শোক ইসলামী আন্দোলন গণমানুষের মুক্তির লক্ষ্যে রাজনীতি করে- গাজী আতাউর রহমান উখিয়ায় এবি পার্টি কতৃক ছাত্রদের সাথে মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত মরিচ্যায় পালং ডিজিটাল মেডিকেল সেন্টারে নিয়মিত রোগী দেখছেন অভিজ্ঞ চিকিৎসকরা জমি নিয়ে বিরোধে প্রতিপক্ষের গুলিতে নিহত ১, গুরুতর আহত ২ উখিয়ায় প্রশাসনের উচ্ছেদ অভিযান: ৩৯ হাজার টাকা অর্থদণ্ড উখিয়ায় বাজার মনিটরিংয়ে ৮০কেজি নষ্ট মিষ্টি ধ্বংস! জালিয়াপালং স্পোর্টস একাডেমি’কে হারিয়ে সেমিফাইনালে ‘পালং স্পোর্টিং ক্লাব’

গোপনে ইয়াবা ব্যবসা করে কোটিপতি একসময়ের ডাকাত ও রিকশা চালক শামশু

  • আপডেট টাইমঃ রবিবার, ১২ জুলাই, ২০২০
  • ১৮৩

মারজান চৌধুরী:

টেকনাফ উপজেলার হোয়াইক্যং ইউনিয়নের কোনার পাড়া গ্রামের একসময়ের ডাকাত ও রিকশা চালক শামশুল আলম এবং পরিবারের সকল সদস্য গোপনে ইয়াবা ব্যবসা করে বর্তমানে কোটিপতি ।

এলাকা বাসী সুত্রে জানা যায় হোয়াইক্যং ইউনিয়নের কোনার পাড়ার বাসিন্দা শামসুল আলম আগে একজন পেশাদার ডাকাত ছিলেন। ডাকাতির সাথে জড়িত থাকার কারণে বিভিন্ন ডাকাতি মামলার আসামী হিসাবে শামসু ডাকাতকে দীর্ঘদিন কারাগারে থাকতে হয়েছে। একসময় ডাকাতি ছেড়ে দিয়ে এলাকায় রিকশা চালিয়ে জীবিকা নির্বাহ করতেন। আজ থেকে ৫/৬ বছর আগেও সে এলাকায় রিকশা চালাত বলে জানিয়েছেন এলাকার সচেতন মহল। সেই সময় পরিবারের অর্থনৈতিক অবস্থা ছিল খুব খারাপ। নুন আনতে পান্তা ফুরানোর দশা ছিল।

পাশ্ববর্তী দেশ মিয়ানমার থেকে ইয়াবা প্রবেশের সুবাদে মেয়ে সাহেদা বেগম প্রথমে অন্যের ইয়াবা বহন করার কাজ করতেন । সেই সুবাদে ঢাকা চট্টগ্রামের বিভিন্ন ইয়াবা ব্যবসায়ীর সাথে তার পরিচয় হয়। সেই পরিচয়ের সুত্র ধরে সাহেদা বেগম তাদের সাথে সম্পর্ক গড়ে তুলে নিজেই ইয়াবা ব্যবসা শুরু করেন। সাহেদা বেগমের পৈত্রিক বাড়ি মিয়ানমারের সীমান্তবর্তী হওয়াই সাহেদা বেগমের ইয়াবা সংগ্রহ করতে তেমন অসুবিধায় পড়তে হয়না। ইয়াবা সংগ্রহ, পাচার ও ব্যবসা প্রসারিত করতে দুই ভাই জুয়েল ও নুরুল আমিনকে সাথে নিয়ে ভাই বোন পিতা সকলে মিলে গোপনীয়তা রক্ষা করে ইয়াবা ব্যবসা চালাতে থাকে।

সাহেদা বেগমের ইয়াবা ব্যবসার সদস্যরা সকলেই পরিবারের সদস্য হওয়ায় আর পেছনে ফিরে তাকাতে হয়নি। এই পরিবার ইয়াবা ব্যবসার বদৌলতে বর্তমানে কোটিপতি। আগের ভাঙাচোরা ঘর এখন পাকা হয়ে গেছে। একসময়ের ডাকাত,রিকশা চালক শামশুল আলম হজ্ব করে এখন হাজী হয়ে গেছে।

আমাদের প্রতিবেদক শামশুল আলমের মুঠোফোনে যোগাযোগ করে তাদের আয়ের উৎস ও ব্যবসা বাণিজ্য সম্পর্কে জানতে চাইলে সাংবাদিক পরিচয় পাওয়ার সাথে সাথে ফোন কেটে দিয়ে বন্ধ করে রাখেন। পরে অনেক চেষ্টা করেও বক্তব্য নেওয়া যায়নি। মেয়ে সাহেদা বেগমের নাম্বারে ডায়াল করলে তার ফোন বন্ধ পাওয়া যায়। সাহেদা বেগমের স্বামী মিয়ানমারের নাগরিক রোহিঙ্গা মুসলিম। তার স্বামী অবৈধ পথে (সাগর) মালেশিয়া গিয়ে বর্তমানে সে মালেশিয়া । স্ত্রী সাহেদা বেগমকে ইয়াবা ব্যবসা না করতে নিষেধ করায় স্বামীর সাথে সম্পর্ক ছিন্ন করে বলে জানা যায়।

এই পরিবারের প্রত্যেক সদস্য ইয়াবা ব্যবসার সাথে জড়িত। ইয়াবার চালান মজুদ রাখতে বোন সাহেদা চট্রগ্রাম মহানগর এবং এর আশেপাশের সুবিধা জনক এলাকায় একাধিক ভাড়া বাসা নিয়ে একেক সময় একেকটি বাড়িতে অবস্থান নেয়। তাদের নিজস্ব সিএনজি অটোরিকশায় বিশেষ কায়দায় ইয়াবার বড় বড় চালান নিয়ে মহাসড়ক বাদ দিয়ে বিভিন্ন উপ-সড়ক ব্যবহার করে চট্টগ্রামের নির্দিষ্ট স্থানে অবস্থান করা বোন সাহেদাকে ইয়াবার চালান পৌঁছিয়ে দেয়। সাহেদা বেগম ঢাকা চট্টগ্রামের বিভিন্ন পার্টিকে সাপ্লাই করে যাচ্ছে।

সরকারের আইনশৃঙ্খলা বাহিনী ইয়াবা প্রতিরোধে ক্রসফায়ার, বন্দুকযুদ্ধে হত্যা করার পরও ইয়াবার ব্যবসা থামাতে পারছেনা। এই অবস্থায় এই পরিবারকে গোয়েন্দা নজরদারিতে রেখে ইয়াবা পাচার বন্ধ করতে হবে বলে মনে করেন বিজ্ঞ জনেরা।



নিউজটি শেয়ার করুন...

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এ জাতীয় আরো খবর...





নামাজের সময় সূচি

  • ফজর
  • যোহর
  • আছর
  • মাগরিব
  • এশা
  • সূর্যোদয়
  • ভোর ৪:২০
  • দুপুর ১২:০০
  • বিকাল ১৬:২৮
  • সন্ধ্যা ১৮:২২
  • রাত ১৯:৩৮
  • ভোর ৫:৩৫
Ukhiyasomoy©Copyright All Rights Reserved 2019
Developed By Theme Bazar