1. alauddin.reporter24@gmail.com : Alauddin Sikder : Alauddin Sikder
  2. ukhiyasomoy@gmail.com : Ukhiyasomoy : Monibul Alam Rahat
  3. monibulalamrahat@gmail.com : Riduan Sohag : Riduan Sohag
  4. sanaullahalhady05@gmail.com : shohan pervez : shohan pervez
শনিবার, ১৭ এপ্রিল ২০২১, ১১:২২ অপরাহ্ন
শিরোনামঃ
ভাষা শহীদদের প্রতি এবি পার্টি উখিয়ার শ্রদ্ধা নিবেদন বান্দরবানে বিজিবির সঙ্গে ‘বন্দুকযুদ্ধে’ দুই রোহিঙ্গা নিহত এড. গোলাম ফারুক খান কায়সার এর শ্বশুরের ইন্তেকালে এবি পার্টি উখিয়া উপজেলার শোক ইসলামী আন্দোলন গণমানুষের মুক্তির লক্ষ্যে রাজনীতি করে- গাজী আতাউর রহমান উখিয়ায় এবি পার্টি কতৃক ছাত্রদের সাথে মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত মরিচ্যায় পালং ডিজিটাল মেডিকেল সেন্টারে নিয়মিত রোগী দেখছেন অভিজ্ঞ চিকিৎসকরা জমি নিয়ে বিরোধে প্রতিপক্ষের গুলিতে নিহত ১, গুরুতর আহত ২ উখিয়ায় প্রশাসনের উচ্ছেদ অভিযান: ৩৯ হাজার টাকা অর্থদণ্ড উখিয়ায় বাজার মনিটরিংয়ে ৮০কেজি নষ্ট মিষ্টি ধ্বংস! জালিয়াপালং স্পোর্টস একাডেমি’কে হারিয়ে সেমিফাইনালে ‘পালং স্পোর্টিং ক্লাব’

দাজ্জালের আক্রমণ থেকে বাঁচতে জুমআর দিনের বিশেষ আমল

  • আপডেট টাইমঃ শুক্রবার, ২৫ ডিসেম্বর, ২০২০
  • ৭২

 

দাজ্জাল, দুনিয়াতে সেরা এক ফেতনার নাম। এ ফেতনা হবে ভয়াবহ ও মারাত্মক। মুমিন মুসলমান মাত্রই এ ফেতনাকে ভয় করে। বিশ্বনবি সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম সব সময় এ ফেতনা থেকে বাঁচতে আল্লাহর সাহায্য চেয়েছেন। জুমআর দিনের একটি বিশেষ আমলেই দাজ্জালের ফেতনা থেকে মুক্তি পাওয়া সম্ভব। কী সেই আমল?

জুমআর দিনের একটি বিশেষ আমলেই দাজ্জালর আক্রমণ থেকে মুক্তি পাবে মুমিন। হাদিসে একাধিক বর্ণনায় তা সুস্পষ্টভাবে তুলে ধরেছেন বিশ্বনবি। তিনি নিজেও দাজ্জালের আক্রমণ থেকে বাঁচতে আল্লাহর কাছে আশ্রয় প্রার্থনা করেছিলেন। বলেছেন বিশেষ আমলের কথা। হাদিসে এসেছে-
– হজরত আবু দারদা রাদিয়াল্লাহু আনহু বর্ণনা করেন, রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বলেছেন, যে ব্যক্তি সুরা কাহফের প্রথম দশটি আয়াত মুখস্ত করে রাখবে, তাকে দাজ্জালের ফেতনা থেকে রক্ষা করা হবে। (মুসলিম, তিরমিজি, আবু দাউদ, নাসাঈ, মুসনাদে আহমদ, ইবনে হিব্বান)

– রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বলেন, ‘যে ব্যক্তি সুরা কাহফের প্রথম দশ আয়াত মুখস্ত করবে সে দাজ্জালের ফেতনাহ থেকে মুক্তি পাবে।’ (মুসলিম)

– মুসনাদে আহমদে এসেছে, ‘যে ব্যক্তি সুরা কাহফের প্রথম দশটি আয়াত মুখস্ত করবে, তাকে দাজ্জালের ফেতনা থেকে রক্ষা করা হবে। অবশ্য তিরমিজিতে তিন আয়াতের কথা উল্লেখ রয়েছে।

জুমআর দিন সুরা কাহফ তেলাওয়াত এবং এর ফজিলতে শুধু দাজ্জালের ভয়াবহ আক্রমণ থেকেই মুক্তিই নয় বরং এ আমলে রয়েছে গোনাহ মাফ ও প্রশান্তি লাভের ঘোষণা। হাদিসের অন্য বর্ণনা রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম ঘোষণা করেন-
– ‘শুধু দাজ্জালের ফেতনাই নয়, যে ব্যক্তি সুরা কাহফের প্রথম এবং শেষ অংশ তেলাওয়াত করবে; তার জন্য তা (সুরা কাহফ-এর তেলাওয়াত) মাথা থেকে পা পর্যন্ত নূর হবে। আর যে ব্যক্তি সম্পূর্ণ সুরাটি তেলাওয়াত করবে সে জমিন থেকে আসমান পর্যন্ত নূর লাভ করবে।’ (মুসনাদে আহমদ)

– হজরত আবদুল্লাহ ইবনে মুগাফফাল রাদিয়াল্লাহু আনহুর বর্ণনায় এসেছে, ‘যে ঘরে কোনো রাতে এ সুরা তেলাওয়াত করা হয়; সে রাতে ঘরটিতে শয়তান প্রবেশ করতে পারে না।’ (সুবাহানাল্লাহ!)

– হজরত উবাইদ ইবনে হুজায়ের রাদিয়াল্লাহু আনহু (একবার) সুরা কাহফ তেলাওয়াত করছিলেন। তাঁর ঘরে একটি চতুষ্পদ জন্তু ছিল। সে ছুটাছুটি করতে লাগলো। তিনি লক্ষ্য করলেন, আকাশে এক খণ্ড মেঘ তাঁর ঘরের উপর ছায়া বিস্তার করে রয়েছে। এ সাহাবি রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম-এর খেদমতে উপস্থিত হয়ে এ ঘটনা বর্ণনা করলেন। বিশ্বনবি সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বললেন, এটি হলো সাকিনাহ, যা আল্লাহ তাআলা কুরআন তেলাওয়াতের কারণে নাজিল করেছেন। (বুখারি, মুসলিম ও মুসনাদে আহমদ)

দাজ্জালের ফেতনা থেকে মুক্তির দোয়া
বিশেষ করে বিশ্বনবি সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম শুধু জুমআর দিনই নয়, বরং তিনি প্রতিদিন নামাজের শেষ বৈঠকে দাজ্জালের ফেতনা থেকে মুক্তি লাভে আল্লাহর কাছে আশ্রয় চাইতেন। হাদিসে এসেছে-
اَللَّهُمَّ إِنِّيْ أَعُوْذُ بِكَ مِنْ عَذَابِ الْقَبْرِ، وَمِنْ عَذَابِ جَهَنَّمَ، وَمِنْ فِتْنَةِ الْمَحْيَا وَالْمَمَاتِ، وَمِنْ شَرِّ فِتْنَةِ الْمَسِيْحِ الدَّجَّالِ.
উচ্চারণ : ‘আল্লাহুম্মা ইন্নি আউজুবিকা মিন আজাবিল ক্বাবরি, ওয়া মিন আজাবি জাহান্নাম, ওয়া মিন ফিতনাতিল মাহয়া ওয়াল্ মামাতি, ওয়া মিং সাররি ফিতনাতিল্ মাসিহিদ্-দাজ্জাল।’

অর্থ : ‘হে আল্লাহ! তুমি আমাকে কাবরের আজাব থেকে রক্ষা করো,আমাকে জাহান্নামের আজাব এবং দুনিয়ার ফেতনা ও মৃত্যুর ফেতনা এবং দাজ্জালের ফেতনা থেকে রক্ষা করো।’ (বুখারি, মুসলিম)

সুতরাং মুমিন মুসলমানের উচিত, জুমআর দিন সূর্য ডোবার আগে যে কোনো সময়ে সুরা কাহফ তেলাওয়াত করা। পুরো সুরা পড়তে না পাড়লেও প্রথম ও শেষ ১০ আয়াত তেলাওয়াত করা। এতে মহান আল্লাহ ওই বান্দাকে দুনিয়ার ভয়াবহ ফেতনা দাজ্জালের আক্রমণ থেকে হেফাজত করবেন। আর আসমান থেকে নাজিল করবেন সাকিনাহ বা প্রশান্তি। শয়তানের আক্রমণ থেকেও পাওয়া যাবে মুক্তি।

আল্লাহ তাআলা মুসলিম উম্মাহকে জুমআর দিনে সুরা কাহফ তেলাওয়াত করার তাওফিক দান করুন। দাজ্জালের ভয়াবহ আক্রমণ থেকে বেঁচে থাকার তাওফিক দান করুন। আল্লাহর সাকিনাহ তথা প্রশান্তি লাভের মাধ্যমে মহামারি করোনা থেকে মুক্তির তাওফিক দিন। শয়তানের আক্রমন থেকেও মুক্ত থাকার তাওফিক দিন। আমিন।



নিউজটি শেয়ার করুন...

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এ জাতীয় আরো খবর...





নামাজের সময় সূচি

  • ফজর
  • যোহর
  • আছর
  • মাগরিব
  • এশা
  • সূর্যোদয়
  • ভোর ৪:২০
  • দুপুর ১২:০০
  • বিকাল ১৬:২৮
  • সন্ধ্যা ১৮:২২
  • রাত ১৯:৩৮
  • ভোর ৫:৩৫
Ukhiyasomoy©Copyright All Rights Reserved 2019
Developed By Theme Bazar