1. alauddin.reporter24@gmail.com : Alauddin Sikder : Alauddin Sikder
  2. ukhiyasomoy@gmail.com : Ukhiyasomoy : Monibul Alam Rahat
  3. monibulalamrahat@gmail.com : Riduan Sohag : Riduan Sohag
বুধবার, ১৪ এপ্রিল ২০২১, ০৭:৫৬ পূর্বাহ্ন
শিরোনামঃ
ভাষা শহীদদের প্রতি এবি পার্টি উখিয়ার শ্রদ্ধা নিবেদন বান্দরবানে বিজিবির সঙ্গে ‘বন্দুকযুদ্ধে’ দুই রোহিঙ্গা নিহত এড. গোলাম ফারুক খান কায়সার এর শ্বশুরের ইন্তেকালে এবি পার্টি উখিয়া উপজেলার শোক ইসলামী আন্দোলন গণমানুষের মুক্তির লক্ষ্যে রাজনীতি করে- গাজী আতাউর রহমান উখিয়ায় এবি পার্টি কতৃক ছাত্রদের সাথে মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত মরিচ্যায় পালং ডিজিটাল মেডিকেল সেন্টারে নিয়মিত রোগী দেখছেন অভিজ্ঞ চিকিৎসকরা জমি নিয়ে বিরোধে প্রতিপক্ষের গুলিতে নিহত ১, গুরুতর আহত ২ উখিয়ায় প্রশাসনের উচ্ছেদ অভিযান: ৩৯ হাজার টাকা অর্থদণ্ড উখিয়ায় বাজার মনিটরিংয়ে ৮০কেজি নষ্ট মিষ্টি ধ্বংস! জালিয়াপালং স্পোর্টস একাডেমি’কে হারিয়ে সেমিফাইনালে ‘পালং স্পোর্টিং ক্লাব’

পরোপকারেই আল্লাহতায়ালা খুশি

  • আপডেট টাইমঃ মঙ্গলবার, ২ জুন, ২০২০
  • ২৫৩

মানবতার ধর্ম ইসলাম বারবারই শত্রু-বন্ধু নির্বিশেষ সবার উপকারের শিক্ষা দেয়। নানাভাবে পরোপকার করা যেতে পারে। আমরা বিপদগ্রস্ত যেকোনো মানুষকে বিপদ থেকে উদ্ধারে সহযোগিতা করতে পারি, অসুস্থকে সুস্থ করে তোলার ক্ষেত্রে ভূমিকা রাখতে পারি। এ ছাড়া নানাভাবে পরোপকার করা যায়। যদি তা ছোট ক্ষেত্রও হয়, সেটার দিকে লক্ষ্য রাখা উচিত। পাড়া-প্রতিবেশী, আত্মীয়-স্বজন এবং বন্ধু-বান্ধবদের কেউ অসুস্থ হলে তার খোঁজ-খবর নেওয়া প্রতিটি মানুষের কর্তব্য। অসুস্থ মানুষকে সাহায্যের হাত বাড়ালে সাহায্যকারীর প্রতি আল্লাহ অনেক খুশি হন।

ইসলাম ধর্মে সব মানুষ তথা গোটা মানব সমাজের উপকার করার ওপর গুরুত্বারোপ করা হয়েছে। ইসলাম ধর্ম মনে করে, ‘ইসলাম ধর্মের প্রতি বিশ্বাসের পরেই সবচেয়ে বিজ্ঞচিত কাজ হচ্ছে মানুষের প্রতি ভালোবাসা, মানুষের উপকার করা এবং অন্যের কল্যাণ কামনা করা। উপকারভোগী যে ধর্মেরই হোক।’

ইসলাম ধর্মের দৃষ্টিতে ধার্মিকতা হচ্ছে বিবেক-বুদ্ধিসম্পন্ন মানুষের অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ বৈশিষ্ট্য। তবে এই ধার্মিকতা আরও বেশি সৌন্দর্যমন্ডিত হয়ে ওঠে যখন একজন ধার্মিক মানুষ পরোপকার করে এবং অন্যের সমস্যা সমাধানে এগিয়ে আসে। অনেকে নিজেকে পরোপকার থেকে দূরে রাখতে নানা অজুহাত দেখান। তারা বলেন, তাদেরতো ধন-সম্পদ নেই। কিন্তু অনেক ধন-সম্পদের মালিক হলেই কেবল পরোপকার করা যাবে- এ ধারণা একেবারেই অমূলক, এ ক্ষেত্রে ইচ্ছাটাই মূল বিষয়। প্রত্যেক মানুষই তার নিজ নিজ অবস্থান থেকে পরোপকারী হতে পারে।

পরোপকার নির্দিষ্ট কোনো সীমারেখায় আবদ্ধ নয়। পরোপকার অনেক ধরনের। পরোপকার করা যেতে পারে ধর্মীয়, পারিবারিক, সামাজিক ও রাষ্ট্রীয় ব্যাপারেও। শারীরিক, আর্থিক ও মানসিক কর্মকাণ্ডেও অন্যকে সহযোগিতা করা যেতে পারে। সমাজে নানা রকমের মানুষের বসবাস। আমাদের চারপাশে রয়েছে নানা পর্যায়ের মানুষ, তাদের জীবনে রয়েছে নানা সমস্যা। তাদের সেই সমস্যা নিরসনে কার্যকর পদক্ষেপ নেওয়াও পরোপকার।

বাংলাদেশসহ বিশ্বের বিভিন্ন দেশের তরুণ প্রজন্মের বিশাল একটি অংশ সর্বনাশা নেশার জগতে ডুবে আছে, তলিয়ে যাচ্ছে ধ্বংসের অতল গহ্বরে। তাদেরকে সেই অন্ধকারের গলিপথ থেকে বের করে আলোকিত পৃথিবীতে নিয়ে আসাও পরোপকার। রাস্তায় চলতে গিয়ে অনেক সময়ই দেখা যায় মহিলাদের গায়ের বোরকা বা শাড়ি রিক্সা বা গাড়ির চাকার পাশে ঝুলে আছে, যেকোনো সময় চাকায় পেচিয়ে গিয়ে তা দুর্ঘটনার কারণ হতে পারে, এই বিষয়টি রিক্সা ও গাড়ীর যাত্রী বা চালককে অবহিত করাও পরোপকার।

কারো পকেট কিংবা ব্যাগ থেকে একজনের একটি গুরুত্বপূর্ণ কাগজ অথবা জিনিস পড়ে গেছে, আপনি পেয়েছেন। জিনিসটি তার কাছে পৌঁছে দেওয়াও পরোপকার। অনেকে হারানো কাগজ বা জিনিস পৌঁছে দিতে বিজ্ঞাপন প্রকাশ ও মাইকিং পর্যন্ত করে থাকেন- এটা অবশ্যই পরোপকার। রাস্তায় বা ফুটপাতে একটি কাচের ভাঙা অংশ পড়ে আছে, আপনি দেখে তা সরিয়ে দিলেন এটাও পরোপকার। কাচের ভাঙা অংশটি না সরালে তা থেকে বড় ধরণের দুর্ঘটনা ঘটতে পারে, কারও পা কেটে যেতে পারে, গাড়ির চাকা পাংচার হতে পারে। আপনি এই দুর্ঘটনা ঠেকিয়ে দিলেন, পরোপকার করলেন। এ জন্য আপনার একটি টাকাও খরচ করতে হলো না, শুধু একটু ইচ্ছার কারণে কাজটি সম্পন্ন হলো।

সমাজে নানা বিষয়ে মানুষের অজ্ঞতা রয়েছে। সচেতনতার অভাবে গোটা সমাজের মানুষ ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে। অজ্ঞ মানুষকে সচেতন করে তোলাও পরোপকার। এখনও সমাজের অনেক মানুষ কুসংস্কারে বিশ্বাস করেন, তাদেরকে সচেতন করে তোলার মাধ্যমে এই কুসংস্কার থেকে মুক্ত করার উদ্যোগ নেওয়া যেতে পারে।

সমাজে অনেক মানুষ আছেন যারা অন্যের ভালো সহ্য করতে পারেন না, এ কারণে তারা পরোপকার করতে পারেন না। কারো ক্ষতি হচ্ছে দেখেও তারা তা ঠেকানোর চেষ্টা করেন না। তারা অন্যের ক্ষতি দেখে খুশি হন। পরোপকারের জন্য এ ধরণের মানসিকতা থেকে বেরিয়ে আসতে হবে।

পরোপকার মানুষকে মর্যাদার আসনে প্রতিষ্ঠিত করে, পরোপকারীরা মানুষের প্রিয়পাত্রে পরিণত হন। পৃথিবীর ইতিহাসে যেসব মনীষী স্মরণীয় হয়ে আছেন, তাদের অন্যান্য গুণের পাশাপাশি একটি বড় বৈশিষ্ট্য ছিল পরোপকারিতা।

মহানবী হজরত মুহাম্মদ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম ছিলেন সবচেয়ে বড় পরোপকারী। আজীবন মানব জাতির জন্য কাজ করে গেছেন, সব সময় মানুষের কল্যাণ কামনা করেছেন। শত্রুর সাহায্যেও এগিয়ে গেছেন। সব সমাজেই কমবেশি পরোপকারী মানুষ রয়েছেন।

পরোপকারিতার সংস্কৃতি গোটা সমাজ ও দেশে ছড়িয়ে দিতে পরোপকারী ব্যক্তি বা প্রতিষ্ঠানকে উৎসাহ দিতে হবে। এ ধরণের মানুষকে ব্যক্তিগত, প্রাতিষ্ঠানিক ও রাষ্ট্রীয় উদ্যোগে পুরস্কৃত করা যেতে পারে।

পরোপকারের সংস্কৃতি গড়ে তুলতে হবে পরিবার থেকেই। শিশুদেরকে পরোপকার করতে উৎসাহ দিতে হবে। পরিবারের সদস্যদের মধ্যে পরোপকারের সংস্কৃতি জোরদার করতে নিজেদের মধ্যে পারস্পরিক সহযোগিতা বাড়াতে হবে। শিশুদের সামনে অন্যকে সহযোগিতা করলে তারা তা দেখে শেখে। দরিদ্রদের দান করার ক্ষেত্রেও শিশুদেরকে সামনে এগিয়ে দেওয়া যেতে পারে। নিজে লাভবান হওয়া মানেই সাফল্য ও বিজয় এ ধারণা থেকে বেরিয়ে আনার চেষ্টা করতে হবে শিশুদেরকেও তা বুঝাতে হবে।



নিউজটি শেয়ার করুন...

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এ জাতীয় আরো খবর...





নামাজের সময় সূচি

  • ফজর
  • যোহর
  • আছর
  • মাগরিব
  • এশা
  • সূর্যোদয়
  • ভোর ৪:২৬
  • দুপুর ১২:০১
  • বিকাল ১৬:২৮
  • সন্ধ্যা ১৮:২০
  • রাত ১৯:৩৫
  • ভোর ৫:৩৯
Ukhiyasomoy©Copyright All Rights Reserved 2019
Developed By Theme Bazar