1. alauddin.reporter24@gmail.com : Alauddin Sikder : Alauddin Sikder
  2. ukhiyasomoy@gmail.com : Ukhiyasomoy : Monibul Alam Rahat
  3. monibulalamrahat@gmail.com : Riduan Sohag : Riduan Sohag
রবিবার, ১১ এপ্রিল ২০২১, ০৬:২৮ অপরাহ্ন
শিরোনামঃ
ভাষা শহীদদের প্রতি এবি পার্টি উখিয়ার শ্রদ্ধা নিবেদন বান্দরবানে বিজিবির সঙ্গে ‘বন্দুকযুদ্ধে’ দুই রোহিঙ্গা নিহত এড. গোলাম ফারুক খান কায়সার এর শ্বশুরের ইন্তেকালে এবি পার্টি উখিয়া উপজেলার শোক ইসলামী আন্দোলন গণমানুষের মুক্তির লক্ষ্যে রাজনীতি করে- গাজী আতাউর রহমান উখিয়ায় এবি পার্টি কতৃক ছাত্রদের সাথে মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত মরিচ্যায় পালং ডিজিটাল মেডিকেল সেন্টারে নিয়মিত রোগী দেখছেন অভিজ্ঞ চিকিৎসকরা জমি নিয়ে বিরোধে প্রতিপক্ষের গুলিতে নিহত ১, গুরুতর আহত ২ উখিয়ায় প্রশাসনের উচ্ছেদ অভিযান: ৩৯ হাজার টাকা অর্থদণ্ড উখিয়ায় বাজার মনিটরিংয়ে ৮০কেজি নষ্ট মিষ্টি ধ্বংস! জালিয়াপালং স্পোর্টস একাডেমি’কে হারিয়ে সেমিফাইনালে ‘পালং স্পোর্টিং ক্লাব’

অক্সিজেন না পেয়ে হাসপাতাল ছাড়লেন শ্বাসকষ্টের রোগী

  • আপডেট টাইমঃ শনিবার, ২৫ এপ্রিল, ২০২০
  • ১৫৩

সময় নিউজ

 

করোনা রোগীর সংখ্যা বাড়ছে হাসপাতালে। এ কারণে অক্সিজেন সঙ্কট দেখা যাচ্ছে ভারতের হাসপাতালগুলোতে। ঠিক এ কারণে শ্বাসকষ্ট সত্ত্বেও অক্সিজেন বা যথাযথ ওষুধ না পেয়ে শুক্রবার (২৪ এপ্রিল) সকালে পশ্চিমবঙ্গের কৃষ্ণনগরের ‘সারি’ (সিভিয়ার অ্যাকিউট রেসপিরেটরি ইলনেস) হাসপাতাল থেকে বেরিয়ে বাড়ি চলে গেছেন এক বৃদ্ধ।

পশ্চিমবঙ্গের কালীগঞ্জের চকবেড়িয়ার বাসিন্দা ওই বৃদ্ধ এবং তাঁর পরিবারের দাবি অন্তত তেমনটাই। ঘটনাচক্রে, তাঁরা ওয়ার্ডে থাকাকালীনই এক রোগী মারা গিয়েছিলেন। এদিকে জেলা প্রশাসনের দাবি, চিকিৎসার অভাবে নয়, ভয় পেয়েই বৃদ্ধ হাসপাতাল ছেড়ে পালিয়েছেন।
পঁয়ষট্টির ওই বৃদ্ধের পরিবার সূত্রে জানা যায়, তিনি অন্তত ২৫ বছর ধরে হাঁপানিতে ভুগছেন। বেশি শ্বাসকষ্ট হওয়ায় বৃহস্পতিবার রাত ১২টায় স্ত্রী ও ছোট ছেলে তাঁকে কালীগঞ্জ ব্লক প্রাথমিক স্বাস্থ্যকেন্দ্রে নিয়ে যান। সেখান থেকে তাঁকে রেফার করা হয় কৃষ্ণনগরে শক্তিনগর জেলা হাসপাতালে। জরুরি বিভাগে পরীক্ষার পরে তাঁকে পাঠানো হয় প্রবল শ্বাসকষ্টের জন্য নির্ধারিত গ্লোকাল ‘সারি’ হাসপাতালে। করোনা সন্দেহভাজনদেরও ওই হাসপাতালেই পাঠানো হয়।

বৃদ্ধ ও তাঁর পরিবারের দাবি, রাত সাড়ে ৩ টা নাগাদ তাঁরা গ্লোকালে পৌঁছান। বৃদ্ধকে দোতলার ওয়ার্ডে পাঠানো হয়। সঙ্গে ছিলেন ছোট ছেলে। ওই ওয়ার্ডে আরও তিন জন রোগী ভর্তি ছিলেন, তাঁদের সকলের সঙ্গেই এক জন করে আত্মীয়। সকলের মুখেই হাসপাতালের দেওয়া নীল মাস্ক, কিন্তু আর কোনও সুরক্ষা পোশাক ছিল না।

বৃদ্ধের অভিযোগ, শ্বাসকষ্ট বেড়ে চললেও একটি ট্যাবলেট ছাড়া তাকে আর কিছুই দেওয়া হয়নি। বারবার অক্সিজেন চাইলে ওয়ার্ডে উপস্থিত সাদা পোশাক পরা এক যুবক নিরাপদ দূরত্ব থেকে জানান, ‘নার্স নেই’। তাঁকে অপেক্ষা করতে হবে। শেষে বৃদ্ধ বেরিয়ে আসেন। যে গাড়ি নিয়ে তিনি স্ত্রী ও ছোট ছেলের সঙ্গে কৃষ্ণনগরে গিয়েছিলেন, সেটি বাইরেই দাঁড়িয়েছিল। সেটিতে চড়ে বৃদ্ধ শহরের একটি দোকানে গিয়ে পুরনো প্রেসক্রিপশন দেখিয়ে ওষুধ কেনেন। তা খেয়ে খানিক ধাতস্থ হওয়ার পরে তিনি বাড়িতে ফিরে যান।

যে ওয়ার্ডে করোনা সন্দেহভাজনেরা থাকতে পারেন, সেখানে রোগীর বাড়ির লোকেরা ঢুকছেন কী করে? এমন প্রশ্ন করা হলে গোটা বিষয়টিই প্রথমে ‘গুজব’ বলে উড়িয়ে দেন জেলার সিভিল সার্জন অপরেশ বন্দ্যোপাধ্যায়। বৃদ্ধ ও তাঁর ছোট ছেলের কাছেই এই কথা শোনা গিয়েছে জেনে তিনি বলেন, ‘রোগীর আত্মীয়ের ওয়ার্ড পর্যন্ত যাওয়ারই কথা নয়। কিন্তু আমি মুখের কথার উপরে ভরসা করতে রাজি নই।’ বারবার চেয়েও রোগী অক্সিজেন পেলেন না কেন? তিনি বলেন, ‘অক্সিজেনের অভাব নেই। কেন পাননি, বলতে পারব না। ডাক্তারবাবুরা যেমন মনে করেছেন, তেমনই করেছেন।’
তবে জেলাপ্রশাসক বিভু গোয়েলের দাবি, ‘চিকিৎসা না হওয়ার অভিযোগ ঠিক নয়। তা হলে ওই হাসপাতালে অন্য রোগীরা থাকছেন কী করে? ভয় পেয়েই উনি হাসপাতাল ছেড়ে চলে গিয়েছেন।’ রোগী হাসপাতাল থেকে বিনা বাধায় বেরিয়ে যান কী করে? জেলাশাসকের যুক্তি, ‘এটা
তো জেল নয় যে ৫০ জন পাহারা দেবে।’ বৃদ্ধকে ফিরিয়ে আনতে কালীগঞ্জে লোক পাঠানো হয়েছে বলেও তিনি জানিয়েছেন।



নিউজটি শেয়ার করুন...

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এ জাতীয় আরো খবর...





নামাজের সময় সূচি

  • ফজর
  • যোহর
  • আছর
  • মাগরিব
  • এশা
  • সূর্যোদয়
  • ভোর ৪:২৬
  • দুপুর ১২:০১
  • বিকাল ১৬:২৮
  • সন্ধ্যা ১৮:২০
  • রাত ১৯:৩৫
  • ভোর ৫:৩৯
Ukhiyasomoy©Copyright All Rights Reserved 2019
Developed By Theme Bazar